ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আস-সালামু আলাইকুম, বর্তমানে দেখা যায়, বিয়ের আগে এসে অনেক মেয়ে হঠাৎ করে হিজাব-নিকাব পড়া শুরু করে এবং তার অতীতে জিনার সম্পর্ক লুকিয়ে মিথ্যা কথা বলে বা কৌশলে সত্য গোপন করে অন্য একটি ছেলেকে বিয়ে…
প্রশ্নকারী: Sazaljp
প্রশ্ন বিস্তারিত
আস-সালামু আলাইকুম, বর্তমানে দেখা যায়, বিয়ের আগে এসে অনেক মেয়ে হঠাৎ করে হিজাব-নিকাব পড়া শুরু করে এবং তার অতীতে জিনার সম্পর্ক লুকিয়ে মিথ্যা কথা বলে বা কৌশলে সত্য গোপন করে অন্য একটি ছেলেকে বিয়ে করে।
আমার একজন বড়ভাই এমন একটা মেয়ে দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। বিয়ের আগে সে বলেছিল তার পূর্বে কোন প্রেম সম্পর্ক ছিল না৷ কিন্তু পরে জানা গেল তার পূর্বে সম্পর্ক ছিল।
মিথ্যা বলার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে মেয়ে বলে, কোন একজন আলেম নাকি বলেছেন, পূর্বের পাপের কথা ইসলাম বলতে নিষেধ করেছে। এবং এক্ষেত্রেও ছেলেকে কিছু বলা যাবেনা৷ তাই সে মিথ্যা বলেছে।
এখন আমার সেই ভাই খুবই মর্মাহত কারণ সে এসব সম্পর্কে কখনো জড়ায়নি। এমনকি সে ভাই তার মেয়ে কাজিনদের সাথেও সবসময় পর্দা মেনে চলেছে৷
এখন আমার প্রশ্ন হলো,
১. ইসলাম কি আসলেই সত্য লুকিয়ে এমন প্রতারণামূলক কাজের অনুমতি দিয়েছে?
২. যদি কেও খালেস দিলে অতীতের কাজের জন্য তওবা করেও থাকে তবুও কি সে সত্য গোপন করে বিয়ে করতে পারে? তওবার সম্পর্ক তো আল্লাহর সাথে৷ একজন চরিত্র হেফাজতকারী পুরুষ কেন অতীতের দুশ্চরিত্র এক মেয়েকে বিয়ে করবে যদিও সে তওবা করেছে.. সকলের রুচিতে তো এটা ধরবে না।
৩. কেও সরাসরি শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়নি কিন্তু চুম্বন বা অন্যান্যভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছে- এটা লুকিয়ে বিয়ে করার অনুমতি কি ইসলাম দেয়? কেননা এটাও আমাদের রুচিতে ধরবে না।
অনুগ্রহ করে সবগুলো উত্তর দিবেন। আল্লাহ আপনাদের খেদমতের উত্তম প্রতিদান দুনিয়া ও আখিরাতে দান করুক। আমিন।
আমার একজন বড়ভাই এমন একটা মেয়ে দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। বিয়ের আগে সে বলেছিল তার পূর্বে কোন প্রেম সম্পর্ক ছিল না৷ কিন্তু পরে জানা গেল তার পূর্বে সম্পর্ক ছিল।
মিথ্যা বলার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে মেয়ে বলে, কোন একজন আলেম নাকি বলেছেন, পূর্বের পাপের কথা ইসলাম বলতে নিষেধ করেছে। এবং এক্ষেত্রেও ছেলেকে কিছু বলা যাবেনা৷ তাই সে মিথ্যা বলেছে।
এখন আমার সেই ভাই খুবই মর্মাহত কারণ সে এসব সম্পর্কে কখনো জড়ায়নি। এমনকি সে ভাই তার মেয়ে কাজিনদের সাথেও সবসময় পর্দা মেনে চলেছে৷
এখন আমার প্রশ্ন হলো,
১. ইসলাম কি আসলেই সত্য লুকিয়ে এমন প্রতারণামূলক কাজের অনুমতি দিয়েছে?
২. যদি কেও খালেস দিলে অতীতের কাজের জন্য তওবা করেও থাকে তবুও কি সে সত্য গোপন করে বিয়ে করতে পারে? তওবার সম্পর্ক তো আল্লাহর সাথে৷ একজন চরিত্র হেফাজতকারী পুরুষ কেন অতীতের দুশ্চরিত্র এক মেয়েকে বিয়ে করবে যদিও সে তওবা করেছে.. সকলের রুচিতে তো এটা ধরবে না।
৩. কেও সরাসরি শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়নি কিন্তু চুম্বন বা অন্যান্যভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছে- এটা লুকিয়ে বিয়ে করার অনুমতি কি ইসলাম দেয়? কেননা এটাও আমাদের রুচিতে ধরবে না।
অনুগ্রহ করে সবগুলো উত্তর দিবেন। আল্লাহ আপনাদের খেদমতের উত্তম প্রতিদান দুনিয়া ও আখিরাতে দান করুক। আমিন।
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। মানুষ ভুল করে, পাপ করে। পাপ হয়ে গেলে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হয়, আর পাপের কথা কাউকে বলতে হয় না, লুকিয়ে রাখতে হয়। জিনা-ব্যাভিচার একটা বড় ধরণের পাপ, মানুষের কাছে বলে বেড়ানোর মতো বিষয় নয়। ছেলে মেয়ে কেউই নিজেদের পাপের কথা কারো কাছে প্রকাশ করবে না।
বিয়ের আগে যথাযথ খোঁজখবর নিয়ে বিয়ে করবে, তবে পাত্র-পাত্রীর কাছে তাদের পাপের বিষয়ে জানতে চাওয়া সঠিক কাজ নয়। কারণ পাপ গোপন রাখার নির্দেশ আল্লাহর রাসূল সা. দিয়েছেন। প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন। আর বিয়ের পরে এই সব খুঁচিয়ে বের করে পরিবারে অশান্তি নিয়ে আসার দরকার নেই। পাপ এমন সত্য, যা প্রকাশ না করার কথা হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " كُلُّ أُمَّتِي مُعَافًى إِلاَّ الْمُجَاهِرِينَ، وَإِنَّ مِنَ الْمَجَانَةِ أَنْ يَعْمَلَ الرَّجُلُ بِاللَّيْلِ عَمَلاً، ثُمَّ يُصْبِحَ وَقَدْ سَتَرَهُ اللَّهُ، فَيَقُولَ يَا فُلاَنُ عَمِلْتُ الْبَارِحَةَ كَذَا وَكَذَا، وَقَدْ بَاتَ يَسْتُرُهُ رَبُّهُ وَيُصْبِحُ يَكْشِفُ سِتْرَ اللَّهِ عَنْهُ ".
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার সকল উম্মাতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই অন্যায় যে, কোন লোক রাতের বেলা অপরাধ করল যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে, আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেলল। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৬৯।
মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে মুসলিম ব্যক্তির অনেক পাপ লুকিয়ে রাখেন। তাই ইসলাম ধর্মের শিক্ষা হলো এই যে, মুসলিম ব্যক্তি যেন তার পাপগুলিকে সর্বদা গোপন রাখে মহান আল্লাহর গোপন রাখার সাথে সাথে। এবং সে যেন মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সহিত প্রশংসা করে; এই জন্য যে তিনি তাকে সুস্থতা এবং নিরাপত্তা প্রদান করেছেন। আর সে যেন মহান আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয়ে ভবিষ্যতে পাপ না করার জন্য প্রতিজ্ঞা করে তওবা করে। কেননা যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সহিত তওবা করবে, মহান আল্লাহ তার তওবা গ্রহণ করবেন এবং ইহকালে ও পরকালে তাকে ক্ষমা করবেন।
دَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ كَيْفَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي النَّجْوَى قَالَ " يَدْنُو أَحَدُكُمْ مِنْ رَبِّهِ حَتَّى يَضَعَ كَنَفَهُ عَلَيْهِ فَيَقُولُ عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا. فَيَقُولُ نَعَمْ. وَيَقُولُ عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا. فَيَقُولُ نَعَمْ. فَيُقَرِّرُهُ ثُمَّ يَقُولُ إِنِّي سَتَرْتُ عَلَيْكَ فِي الدُّنْيَا، فَأَنَا أَغْفِرُهَا لَكَ الْيَوْمَ ".
সফ্ওয়ান ইবনু মুহরিয (রহ.) হতে বর্ণিত যে, এক লোক ইবনু ’উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি ’নাজওয়া’ (কিয়ামতের দিন আল্লাহ ও তাঁর মু’মিন বান্দার মধ্যে গোপন আলোচনা)। ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কী বলতে শুনেছেন? বললেন, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি তার প্রতিপালকের এত কাছাকাছি হবে যে, তিনি তার উপর তাঁর নিজস্ব আবরণ টেনে দিয়ে দু’বার জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। আবার তিনি জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। এভাবে তিনি তার স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন। এরপর বলবেনঃ আমি দুনিয়াতে তোমার এগুলো লুকিয়ে রেখেছিলাম। আজ আমি তোমার এসব গুনাহ ক্ষমা করে দিলাম। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৭০।
বিয়ের আগে যথাযথ খোঁজখবর নিয়ে বিয়ে করবে, তবে পাত্র-পাত্রীর কাছে তাদের পাপের বিষয়ে জানতে চাওয়া সঠিক কাজ নয়। কারণ পাপ গোপন রাখার নির্দেশ আল্লাহর রাসূল সা. দিয়েছেন। প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন। আর বিয়ের পরে এই সব খুঁচিয়ে বের করে পরিবারে অশান্তি নিয়ে আসার দরকার নেই। পাপ এমন সত্য, যা প্রকাশ না করার কথা হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " كُلُّ أُمَّتِي مُعَافًى إِلاَّ الْمُجَاهِرِينَ، وَإِنَّ مِنَ الْمَجَانَةِ أَنْ يَعْمَلَ الرَّجُلُ بِاللَّيْلِ عَمَلاً، ثُمَّ يُصْبِحَ وَقَدْ سَتَرَهُ اللَّهُ، فَيَقُولَ يَا فُلاَنُ عَمِلْتُ الْبَارِحَةَ كَذَا وَكَذَا، وَقَدْ بَاتَ يَسْتُرُهُ رَبُّهُ وَيُصْبِحُ يَكْشِفُ سِتْرَ اللَّهِ عَنْهُ ".
আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, আমার সকল উম্মাতকে মাফ করা হবে, তবে প্রকাশকারী ব্যতীত। আর নিশ্চয় এ বড়ই অন্যায় যে, কোন লোক রাতের বেলা অপরাধ করল যা আল্লাহ গোপন রাখলেন। কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগল, হে অমুক! আমি আজ রাতে এই এই কাজ করেছি। অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটাল যে, আল্লাহ তার কর্ম লুকিয়ে রেখেছিলেন, আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেলল। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৬৯।
মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে মুসলিম ব্যক্তির অনেক পাপ লুকিয়ে রাখেন। তাই ইসলাম ধর্মের শিক্ষা হলো এই যে, মুসলিম ব্যক্তি যেন তার পাপগুলিকে সর্বদা গোপন রাখে মহান আল্লাহর গোপন রাখার সাথে সাথে। এবং সে যেন মহান আল্লাহর কৃতজ্ঞতার সহিত প্রশংসা করে; এই জন্য যে তিনি তাকে সুস্থতা এবং নিরাপত্তা প্রদান করেছেন। আর সে যেন মহান আল্লাহর কাছে অনুতপ্ত হয়ে ভবিষ্যতে পাপ না করার জন্য প্রতিজ্ঞা করে তওবা করে। কেননা যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সহিত তওবা করবে, মহান আল্লাহ তার তওবা গ্রহণ করবেন এবং ইহকালে ও পরকালে তাকে ক্ষমা করবেন।
دَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ مُحْرِزٍ، أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ كَيْفَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي النَّجْوَى قَالَ " يَدْنُو أَحَدُكُمْ مِنْ رَبِّهِ حَتَّى يَضَعَ كَنَفَهُ عَلَيْهِ فَيَقُولُ عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا. فَيَقُولُ نَعَمْ. وَيَقُولُ عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا. فَيَقُولُ نَعَمْ. فَيُقَرِّرُهُ ثُمَّ يَقُولُ إِنِّي سَتَرْتُ عَلَيْكَ فِي الدُّنْيَا، فَأَنَا أَغْفِرُهَا لَكَ الْيَوْمَ ".
সফ্ওয়ান ইবনু মুহরিয (রহ.) হতে বর্ণিত যে, এক লোক ইবনু ’উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি ’নাজওয়া’ (কিয়ামতের দিন আল্লাহ ও তাঁর মু’মিন বান্দার মধ্যে গোপন আলোচনা)। ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কী বলতে শুনেছেন? বললেন, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি তার প্রতিপালকের এত কাছাকাছি হবে যে, তিনি তার উপর তাঁর নিজস্ব আবরণ টেনে দিয়ে দু’বার জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। আবার তিনি জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। এভাবে তিনি তার স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন। এরপর বলবেনঃ আমি দুনিয়াতে তোমার এগুলো লুকিয়ে রেখেছিলাম। আজ আমি তোমার এসব গুনাহ ক্ষমা করে দিলাম। সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৭০।