QA As Sunnah Q&A

আসসালামু ওয়ালাইকুম। আমি প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে। আমার বয়স ২৪। আমার পরিবারকে একটা ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ছেলের সাথে কথা বলে আমার মনে হয় দ্বীন পালনের জন্য আমি যেমন টা চাই সব কিছু সেমন ই। আমার পরি…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
বিবাহ-তালাক • প্রশ্ন #৭০৮২ • ভিউ: ৮৬ • ১৩ অক্টোবর, ২০২৪

আসসালামু ওয়ালাইকুম। আমি প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে। আমার বয়স ২৪। আমার পরিবারকে একটা ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ছেলের সাথে কথা বলে আমার মনে হয় দ্বীন পালনের জন্য আমি যেমন টা চাই সব কিছু সেমন ই। আমার পরি…

প্রশ্নকারী: Jannatulmoutushi459
প্রশ্ন বিস্তারিত
আসসালামু ওয়ালাইকুম। আমি প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে। আমার বয়স ২৪। আমার পরিবারকে একটা ছেলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। ছেলের সাথে কথা বলে আমার মনে হয় দ্বীন পালনের জন্য আমি যেমন টা চাই সব কিছু সেমন ই। আমার পরিবার দ্বীন পালন করে না সম্পুর্ণ ভাবে। বিয়ের এই বিষয় এ আমার মা বাবা রাজি থাকলেও আমার ভাই ঝামেলা করছে। বাবা কে বোঝায়ে বলার পর বাবা রাজি থাকলেও ভাইয়ের কথা শুনে বলছে যে আরও সময় লাগবে।ভাইয়া চাই অনেক বড়লোক ছেলের সাথে বিয়ে দিতে।নিজের চরিত্র হেফাজতের জন্য বিয়ে টা করা এখন জরুরী। আমার আম্মা দায়িত্ব নিয়ে পরিবারের বাকিদের না জানিয়ে কি বিয়েটা দিতে পারবেন? এখন চাচ্ছি যে গোপনে বিয়ে টা করে রাখতে পরে বাসা থেকে সবাইকে নিয়ে আবার কিছু একটা করতে। এভাবে বিয়ে করলে বিয়েটা কি জায়েজ হবে?
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এই ধরণের মূর্খতার কারণে বহু মেয়ের জীবন নষ্ট হচ্ছে। সবাই রজি থাকলে ভাইয়ের কোন অধিকারই নেই বাঁধা দেয়ার। বাবা-মা রাজি থাকার পরও কেন ভাই ঝামেলা পাকাচ্ছে তা বোধগম্য নয়। আপনিও একটু চাপ প্রয়োগ করুন। পারিপার্শ্বিক অবস্থা বর্ণনা করে তাদেরকে শক্ত করে বলুন, আপনি গুনাহমুক্ত জীবন চান, একজন মেয়ের বিয়ের জন্য কিছুতেই এর চেয়ে বেশী সময় নেয়া যায় না। ভাই রাজি না থাকলেও বাবাকে রাজি করিয়ে সীমিত পরিসরে এখন বিয়ে করে নেন। পরে সবাইকে জানিয়ে দিবেন। কারণ বয়স বেশী হওয়ার কারণে যখন বিয়েতে সমস্যা হবে তখন ঐ ভাই কোন কাজে আসবে না, সে আপনাকে কোন উপকার করতে পারবে না। সুতরাং অবুঝ ভাইয়ের কথা শুনে নীরবে জীবন শেষ করে দিবেন না।
✅