QA As Sunnah Q&A

আমার এক আত্মীয়র সন্তান হয় না। তাই তিনি একটা ছেলেকে (২বছর ) দত্তক নেয়। ঐ ছেলেটার বাবার দেয়া নাম দেয়া ছিল রায়হান । কিন্তু গত কাল আকিকা করে, নাম পরিবর্তন করে মোয়াজ রাখে। এটা টিক হবে?

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
আকীকা • প্রশ্ন #৭২২০ • ভিউ: ২৮ • ২৫ মার্চ, ২০২৫

আমার এক আত্মীয়র সন্তান হয় না। তাই তিনি একটা ছেলেকে (২বছর ) দত্তক নেয়। ঐ ছেলেটার বাবার দেয়া নাম দেয়া ছিল রায়হান । কিন্তু গত কাল আকিকা করে, নাম পরিবর্তন করে মোয়াজ রাখে। এটা টিক হবে?

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার এক আত্মীয়র সন্তান হয় না। তাই তিনি একটা ছেলেকে (২বছর ) দত্তক নেয়। ঐ ছেলেটার বাবার দেয়া নাম দেয়া ছিল রায়হান । কিন্তু গত কাল আকিকা করে, নাম পরিবর্তন করে মোয়াজ রাখে। এটা টিক হবে?
উত্তর
Published
প্রচলিত দত্তক ইসলামে জায়েজ নেই। তবে কোন বাচ্চাকে লালন পালন করা জায়েজ। সেই বাচ্চার সাথে পর্দা রক্ষা করতে হবে, সে ওয়ারিস হবে না।

এই সম্পর্কেড.আবু বকর মো. জাকারিয়া মুজুমদার বলেন,

”ইসলামে দত্তক নেওয়া হারাম, দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই। মানুষকে আপনি দয়া করে তাঁকে লালন-পালন করতে পারেন, কিন্তু সন্তান দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই, এটা হিন্দুদের মধ্যে আছে। এটা কখনো ইসলামে নেই। ইসলামে দত্তক নিলে সে কোনো ওয়ারিশ হবে না, কোনো কিছুই পাবে না।

দত্তক নেওয়া তো জায়েজ নেই, বরং কোনো মানুষকে যদি আপনি লালন-পালন করেন, যে আপনার পরিবারভুক্ত নয়, সন্তান নয়, তাঁর জন্য আপনি কিছু দান করতে পারেন, সদকা করতে পারেন। তাঁকে উত্তরাধিকার আইনের মধ্যে নিয়ে আসা যাবে না। সে আপনার কোনো সন্তানের মর্যাদা পাবে না এবং কোনো ওয়ারিশ হবে না। এটাই মূল কথা।

কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা এই দত্তকপ্রথা নিষেধ করার জন্য সরাসরি তাঁর নবীকে দিয়ে একটি বিরাট কাজ করিয়েছেন। সেটা হচ্ছে, জায়েদ ইবনে হারজ, যাকে বলা হতো জায়েদ ইবনে মুহাম্মদ, অর্থাৎ মুহাম্মদের ছেলে জায়েদ। সেটা বন্ধ করার জন্য আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘যাদের তোমরা সন্তান বলে ডাকো, তারা তোমাদের সন্তান নয়।’

সরাসরি আল্লাহতায়ালা নিষেধ করে দিয়েছেন সূরা আহজাবে। এর পর আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘এগুলো তোমাদের মুখের কথা, আল্লাহ সঠিক কথা বলেন।’ অর্থাৎ দত্তক নেওয়া কোনোভাবেই জায়েজ নেই। এ জন্য জাহেলি যুগে নবী (সা.) যাঁকে লালন-পালন করেছেন, আল্লাহতায়ালার নির্দেশে তাঁর স্ত্রীকে তিনি বিয়ে করে দেখিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা বলে দিয়েছেন, ‘যাদের তারা নিজের সন্তান বলে ডাকে, তাদের স্ত্রীকে বিয়ে করা হারাম নয়, হালাল।’ এটা প্রমাণ করার জন্য আল্লাহতায়ালা তাঁর স্ত্রীকে, অর্থাৎ জায়নাবকে বিয়ে দিয়েছেন মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গে। সুতরাং ইসলামে দত্তকের কোনো সুযোগ নেই।”

নাম পরিবর্তন যদি করতে হয় বাচ্চাটির বাবা করবে। অন্য কেউ বা যিনি লালন-পালন করবেন তার জন্য নাম পরিবর্তন অনুচিত কাজ।