QA As Sunnah Q&A

ফযজরের নামাজের পর সেখানে বসে নামাজের নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত জিকির করে পরে ২ রাকাত নামাজ পরলে কবুল হজের সওয়াব পাওয়া যাবে। প্রশ্ন ১: এই ২ রাকাত কি ইশরাকের নামাজ নাকি আলাদা ২ রাকাত পর…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
হাদীস • প্রশ্ন #৭২৬৪ • ভিউ: ৩০ • ০৩ মে, ২০২৫

ফযজরের নামাজের পর সেখানে বসে নামাজের নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত জিকির করে পরে ২ রাকাত নামাজ পরলে কবুল হজের সওয়াব পাওয়া যাবে। প্রশ্ন ১: এই ২ রাকাত কি ইশরাকের নামাজ নাকি আলাদা ২ রাকাত পর…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
ফযজরের নামাজের পর সেখানে বসে নামাজের নিষিদ্ধ সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত জিকির করে পরে ২ রাকাত নামাজ পরলে কবুল হজের সওয়াব পাওয়া যাবে।

প্রশ্ন ১: এই ২ রাকাত কি ইশরাকের নামাজ নাকি আলাদা ২ রাকাত পরতে হবে?

প্রশ্ন ২ :  কিন্তু মসজিদে নামাজ আদায় ইশরাকের নামাজ র্পর্যন্ত বসে থাকার সূযোগ থাকেনা। মসজিদে বন্ধ করে দেয়।  ঘরে এসে বাকি আমল করলে কি কবুল হজের সওয়াব পাওয়া যাবে?
উত্তর
Published
এই বিষয়ে হাদীসটি হলো
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ صَلَّى الْغَدَاةَ فِي جَمَاعَةٍ ثُمَّ قَعَدَ يَذْكُرُ اللَّهَ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ كَانَتْ لَهُ كَأَجْرِ حَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ " . قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَامَّةٍ تَامَّةٍ تَامَّةٍ " .
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জামাআতের সাথে ফজরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত সেখানে বসে আল্লাহর যিকর করবে এবং এরপর দু’রাকআত সালাত আদায় করবে, তার জন্য একটি হজ্জ ও উমরা পালনের সওয়াব হবে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহ বলেনঃ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ ব্যক্তির জন্য হজ্জ ও উমরার পরিপূর্ণ সওয়াব হবে, পরিপূর্ণ সওয়াব হবে, পরিপূর্ণ সওয়াব হবে। সুনানু তিরমিযী, হাদীস নং ৫৮৬্
 উক্ত হাদীসে আমরা দেখছি দুই রাকআত নামায আদায় করতে হবে। এটাকেই অনেকেই ইশরাকের নামায বলে। মসজিদ পুরোপুরি বন্ধ করে দিলে বাসায় এসে পড়বেন। ইনশাআল্লাহ ফজিলত পাবেন। তবে মসজিদ পুরোপুরি বন্ধ করা ঠিক নয়। বারান্দা বা কিছু জায়গা মানুষের প্রয়োজনে খুলে রাখা দরকার।