ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক
→
আদব আখলাক
→
ইতিহাস
→
নামায
→
ত্বহারাত পবিত্রতা
→
জানাযা-কবর যিয়ারত
→
ঈমান
→
রোজা
→
সফর
→
আকীকা
→
শিরক-বিদআত
→
ঈদ কুরবানী
→
হাদীস ও উসূলুল হাদীস
→
যিকির দুআ আমল
→
নফল সালাত
→
হালাল হারাম
→
লেনদেন
→
বিবাহ-তালাক
→
তাওহীদ
→
তারাবীহ
→
যাকাত
→
ফিতরা
→
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক
→
জুমআ
→
সুন্নাত
→
দাওয়াত ও তাবলিগ
→
কুরআন
→
হাদীস
→
জাদু-টোনা
→
সিরাত সামায়েল
→
পোশাক পরিচ্ছেদ
→
ফারায়েজ
→
মানত
→
আখিরাত
→
জান্নাত-জাহান্নাম
→
তাফসীর
→
রিসালাত
→
হজ্জ
→
জিহাদ
→
বাতিল ফিরকা
→
বিতর
→
সাধারণ দান-সদকাহ
→
হালাল
→
বিচার আচার
→
সালাত
→
ব্যক্তিগত ও তাবলিগ
→
সদকাহ
→
কাফফরা
→
সুদ-ঘুষ
→
আকীদা
→
পবিত্রতা
→
গুনাহ
→
জায়েয
→
রমযান
→
ইতিকাফ
→
দান-সদকাহ
→
বিদআত
→
মুসাফির
→
মসজিদ
→
পোশাক-পর্দা
→
তায়াম্মুম
→
বিবিধ
→
দ্রুত লিংক
আমার স্বামী আমাকে প্রায়ই আমার বাবার বাড়ি থেকে কি দিলো না দিল এগুলা নিয়ে খোটা দেয়।বিয়ে হয়েছে মাত্র তিন মাস হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে এসে যতবারই কারো কাছ থেকে শুনেছে যে কেউ তার বউয়ের বাপের…
প্রশ্নকারী: Anjumnowshin02
প্রশ্ন বিস্তারিত
আমার স্বামী আমাকে প্রায়ই আমার বাবার বাড়ি থেকে কি দিলো না দিল এগুলা নিয়ে খোটা দেয়।বিয়ে হয়েছে মাত্র তিন মাস হয়েছে কিন্তু এর মধ্যে এসে যতবারই কারো কাছ থেকে শুনেছে যে কেউ তার বউয়ের বাপের বাড়ি থেকে কিছু পেয়েছে তখনই সে আমাকে কথা শুনিয়েছে এবং তুলনা করে অনেক কষ্ট দিয়েছে।বেশিরভাগ সময়ই আমি কিছু বলি না এবং এটা বলি যে আমাকে তো এখনো উঠিয়ে দেয়নি, যখন দিবে তখন আমার পরিবারও যা দেওয়ার দিবে। তার মতে শুধু ছেলে পক্ষকেই মেয়ে পক্ষরা দেয়। কয়েকদিন আগে সে আবার আমাকে খোটা দেয় যে আমার বাবা মা দূরে বিয়ে দিয়ে বেঁচে গেছে, কোন গিফট পাঠাতে হচ্ছে না। অমুকে শ্বশুরবাড়ি থেকে এই এই জিনিসপত্র দিয়েছে। আমি প্রতি উত্তরে শুধু এটা বলি যে আপনারাও তো বেঁচে গেছেন, আমি এটা বুঝাতে চেয়েছি যে আমাদের এখানেও এরকম অনেক নিয়ম-কানুন আছে যেটা সমাজের তৈরি। আপনাদেরকে তো আমরা ওগুলা পূরণ করার জন্য প্রেসার দিচ্ছি না। আমার কথার মধ্যে কোন বেয়াদবির ভাব বা সুর ছিলনা।আমি শুধুমাত্র ওই কথাটা বলাতে সে বলছে আমি তার সাথে বেয়াদবি করেছি। এরপর শুরু হয় আমাকে আর আমার ফ্যামিলিকে গালিগালাজ। আমি সবসময় এগুলো শুনি কিন্তু কিছু বলি না। প্রতিউত্তরে এবার আমি বলেছি যে আল্লাহর কাছে যে কি জবাব দিবেন। এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে উনি যেটাকে বেয়াদবি বলছে আর যেটা আমার কাছে বেয়াদবি লাগছে না সেটা কি আসলেই ইসলামের দৃষ্টিতে বেয়াদবি? স্বামী যদি কোন অন্যায় কথা বলে তাহলে তার প্রতি উত্তরে কিছু বলার কি স্ত্রীর অধিকার নাই? ইসলামকে আমাদেরকে শুধু বোবা হয়ে থাকতে বলে? ব্যাপারটা কি এমন যে আমার স্বামী আমাকে কষ্ট দিয়ে খালি কথা বলেই যাবে আর আমি প্রতি উত্তরে কিছুই বলতে পারব না, আর বললেই সেটা বেয়াদবি?
উত্তর
Published
আপনি যে বিবরণ দিয়েছেন, তাতে বুঝা যাচ্ছে আপনার স্বামী মূর্খ, লোভী, আত্মসম্মাহীন, সমাজবিরোধী এবং বিবেকহীন ছোটলোক। সে ধর্ম বোঝে না, সমাজ-সংস্কৃতি বোঝে না, সংসার সম্পর্কে কিছুই জানে না। বিয়ের আগে তার সম্পর্কে আরো ভালো করে খোঁজ নেয়া দরকার ছিল। আপনি আপনার সাথে ঘটা সব বিষয় আপনার পরিবারকে জানাবেন, তাদের পরমর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবেন যে, তার সাথে আদৌ থাকবেন কিনা। যদি থাকেন তাহলে তার থেকে আপনার পরিবার এই ওয়াদা নিবে যে, তাকে আপনার পরিবারের পক্ষ থেকে কোন দিন কিছু দেয়া হবে না এবং সে কিছু চাইতে পারবে না এবং চাওয়ার ভানও করতে পারবে না, এই বিষয়ে কোন কথাই বলতে পারবে না। পূর্বের অপকর্মের জন্য তাকে ক্ষমা চাইতে হবে।
যদি সে এই রাজি না হয় তাহলে এই সংসার আপনি করবেন না। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এই ধরণের সমাজবিরোধী লোকের থেকে আলাদা হয়ে যাবেন।
যদি সে সবকিছু মেনে সংসার করতে রাজি হয় তাহলেও তাকে কোন দিন কোন কিছু আপনার পরিবার থেকে দেওয়া যাবে না। কারণ দিলে তার লোভ আরো বেড়ে যাবে, অশান্তি সৃষ্টি করবে।
বিয়ের পর স্ত্রীর যাবতীয় খরচের দায়িত্ব স্বামীর। আত্মসম্মানহীন দুশ্চরিত্রের ছোট লোকেরাই শুধু শ্বশুরবাড়ীর সম্পদের আশা করে স্ত্রীর ওপর মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করে।
স্বামীর অবৈধ কথা বার্তার জবাব দেয়া স্ত্রীর জন্য বেয়াদবী নয়। বরং এই ধরণের ক্ষেত্রে বলাটাই অধিক যুক্তিযুক্ত।
যদি সে এই রাজি না হয় তাহলে এই সংসার আপনি করবেন না। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এই ধরণের সমাজবিরোধী লোকের থেকে আলাদা হয়ে যাবেন।
যদি সে সবকিছু মেনে সংসার করতে রাজি হয় তাহলেও তাকে কোন দিন কোন কিছু আপনার পরিবার থেকে দেওয়া যাবে না। কারণ দিলে তার লোভ আরো বেড়ে যাবে, অশান্তি সৃষ্টি করবে।
বিয়ের পর স্ত্রীর যাবতীয় খরচের দায়িত্ব স্বামীর। আত্মসম্মানহীন দুশ্চরিত্রের ছোট লোকেরাই শুধু শ্বশুরবাড়ীর সম্পদের আশা করে স্ত্রীর ওপর মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করে।
স্বামীর অবৈধ কথা বার্তার জবাব দেয়া স্ত্রীর জন্য বেয়াদবী নয়। বরং এই ধরণের ক্ষেত্রে বলাটাই অধিক যুক্তিযুক্ত।