QA As Sunnah Q&A

তাদের অল্প বয়সে, পরিবারের সম্মতি ছাড়া, সমবয়সী বন্ধুদের কাজী ও সাক্ষী বানিয়ে করা বিবাহ শরীয়ত অনুযায়ী বৈধ কি না।

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
বিবাহ-তালাক • প্রশ্ন #৭৪৬৩ • ভিউ: ২০ • ১৫ মার্চ, ২০২৬

তাদের অল্প বয়সে, পরিবারের সম্মতি ছাড়া, সমবয়সী বন্ধুদের কাজী ও সাক্ষী বানিয়ে করা বিবাহ শরীয়ত অনুযায়ী বৈধ কি না।

প্রশ্নকারী: Abdullah Sayem
প্রশ্ন বিস্তারিত

আসসালামুয়ালাইকুম হুজুর। 

আমার প্রশ্ন হলো:" আমার এক বন্ধু class 7 এ থাকতে একটা মেয়ের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। তারপর পরিবার জানাজানি হলে।তারা পরিবারের সম্মতি ছাড়াই বিবাহ করার তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা নিজেরাই বিবাহ করবে। তখন আমার কিছু বন্ধুদের নিয়ে, আসলে একজন বন্ধু কাজী ও দুইজন বন্ধু সাক্ষী দেয়। তখন তারা দুজনই কবুল বলে। কিন্তু তাদের পরিবার রাজি নন। এখন তারা দাবি করে তারা স্বামী-স্ত্রী। তারা দুজনই এখন class 10 এ পড়ে। আমরা এখন তাদের যদি বলি তারা হারাম সম্পর্কের মধ্যে আছে । তখন তারা এইটা অস্বীকার করে। তারা যখন এই কাজ করে তখন তাদের বয়স ছিল ১৩+ বছর। এবং যারা সাক্ষী ও কাজী ছিল তারাও same বয়সী। 

👉 এখন আমার প্রদান প্রশ্ন হলো তারা যেভাবে এই বিবাহ করেছে class 7 এটা কী বৈধ নাকি এইটা অবৈধ?"

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এগুলো বিবাহ নয়, এগুলো তামাশা। ধর্ম নিয়ে তামাশা। এই তামাশা বন্ধ করতে হবে। সহশিক্ষার কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। সহশিক্ষা সমাজকে অস্থিতিশীল করছে, ব্যভিচার আর অশান্তির কারণ হচ্ছে। মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে অভিভাবকরা তাকে যোগ্য ছেলের সাথে বিবাহ দিবে। সকল দিক চিন্তা করে তারা মেয়েকে পাত্রস্থ করবে। অভিভাকদের বিচার বিবেচনার যে ক্ষমতা থাকে অবিবাহিত ছেলে-মেয়েদের সেই ক্ষমতা থাকে না। সে জন্য ইসলাম অভিভাবক ছাড়া মেয়েদের বিবাহকে অনুৎসাহিত করে। অধিকাংশ ফিকহ তথা ইসলামী আইন বিশেষজ্ঞ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া মেয়েদের বিবাহ হবে না বলেছেন। তবে হানাফী ফকিহগণ জায়েজ বলেছেন। আমাদের দেশে সাধারণত হানাফী ফিকাহ গ্রহণ করা হয়। 

তাদের উচিৎ এখনই বিষয়টি অভিভাকদের জানানো এবং অভিভাবকদের ফয়সালা মেনে জীবন-যাপন করা।