QA As Sunnah Q&A

আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউকে সেজদা করা জায়েজ না হলে, আল্লাহ কেনো আদম আ: কে সেজদা করার আদেশ ফেরেস্তাদের দিলেন?

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
বিবিধ • প্রশ্ন #৭৪৯৬ • ভিউ: ১০১ • ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

আল্লাহ ব্যতীত অন্য কেউকে সেজদা করা জায়েজ না হলে, আল্লাহ কেনো আদম আ: কে সেজদা করার আদেশ ফেরেস্তাদের দিলেন?

প্রশ্নকারী: মোঃ হাসান
প্রশ্ন বিস্তারিত

আমি বেশ কিছুদিন আগে একজন লেখকের একটি বই পড়েছি। বইয়ের নাম " হাজার বছরের অব্যক্ত শয়তানের গল্প by কাজী ম্যাক"।
(বি. দ্র.: বইটাতে ১৩৫ বছরের বাংলাদেশের ইহুদিদের ইতিহাস এবং বাংলাদেশে এদের ক্লাবে বাফোমেটের (শয়তান) পূজার হিস্ট্রিকাল এভিডেন্স তুলে ধরা হয়েছে। সাথে শয়তানের বিভিন্ন কন্ট্রোভারসাল দিক আলোচনা করা হয়েছে।) এখন এই বইয়ে একটা কথা বলা হয়েছে যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো সামনে মাথা নত বা সিজদাহ্ করা যাবে না। তাহলে কেনো আল্লাহ আদম আঃ কে সেজদা করার আদেশ দিলেন। যারা তা করল তারা সবাই সঠিকই রইলো, কিন্তু যে না করল সে ইবলিশ এ পরিনত হলো। আমি এই বই দ্বারা মোটেও প্রভাবিত হচ্ছি না, আল্লাহই সর্ব বিষয়ে ভালো জানেন। আমার প্রশ্ন, হাদিস বা অন্য কোনো রেফারেন্সে এবিষয়ে কিছু বলা আছে কি না? ধন্যবাদ 

উত্তর
Published

ইসলাম ধর্মে আল্লাহ ব্যতিত কাউকে কোন উদ্দেশ্যেই সাজদাহ করে যাবে না। এটা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। ইসলাম পূর্ব  সময়ে সম্মান জানানোর জন্য  সাজদাহ করা বৈধ ছিল মর্মে কিছু ঘটনা থেকে জানা যায়।  যেমন, সূরা ইউসুফের ১০০ নং আয়াতে উল্লেখ আছে ইউসুফ আ.কে তার ভাইয়েরা সাজদা করেছিল। ফেরেশাতগণ কর্তৃক আদম আ.কে সাজাদ দেওয়াও সম্মান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপনমূলক ছিল। মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীয়তে এরূপ শ্রদ্ধাজ্ঞাপনমূলক সিজদাও জায়েয নয়। বিস্তারিত জানতে এই আয়াতের তাফসীর দেখতে পারেন। 

আনাস রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদীসের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন,

لَا يَصْلُحُ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، وَلَوْ صَلَحَ لِبَشَرٍ أَنْ يَسْجُدَ لِبَشَرٍ ، لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا، مِنْ عِظَمِ حَقِّهِ عَلَيْهَا

’’কোন মানুষের জন্য কোন মানুষকে সিজদা করা সঙ্গত নয়। কোন মানুষের জন্য কোন মানুষকে সিজদা করা সঙ্গত হলে আমি মহিলাকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।

মুসনাদু আহমাদ, হাদীস নং১২৬৩৫ (হাদীসের একাংশ)। হাদীসটি সহীহ। 

আবু হুরায়রা রা. এবং কায়স ইবনু সা’দ রা. থেকেও অনুরুপ হাদীস সহীহ সনদে উল্লেখ আছে। 


✅