QA As Sunnah Q&A

বাকিতে পণ্য বিক্রির বিনিময়ে দাম বেশি রাখা ( ক্রেতাকে জানিয়ে) কি সুদের অন্তর্ভুক্ত?

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
অর্থনৈতিক • প্রশ্ন #৭৫২৭ • ভিউ: ৩৭ • ২৩ জুন, ২০২৬

বাকিতে পণ্য বিক্রির বিনিময়ে দাম বেশি রাখা ( ক্রেতাকে জানিয়ে) কি সুদের অন্তর্ভুক্ত?

প্রশ্নকারী: আব্দুল্লাহ
প্রশ্ন বিস্তারিত

আসসালামু আলাইকুম, মুহতারাম আমি জানতে চাচ্ছি যে, বাকিতে পণ্য বিক্রির বিনিময়ে দাম বেশি রাখা (ক্রেতা কে জানিয়ে) জায়েজ কিনা এবং এটা সুদের আওতাভুক্ত কিনা? 


যেমন এক বস্তা ভুসি বাকিতে বিক্রি করে, দেড়িতে দাম পাবো বিধায় ক্রেতাকে জানিয়ে বস্তা প্রতি অতিরিক্ত 300/400 টাকা দাম বেশি রাখলাম।

মুহতারাম এটা সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে কিনা? এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি। 

জাযাকাল্লাহ খাইরান 

আসসালামু আলাইকুম। 

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। না, এটা সুদের অন্তর্ভূক্ত নয়। এক জাতীয় পণ্য বিনিময়ের ক্ষেত্রে দাম কম বেশী হলে সেটা সুদ। পণ্য আলাদা হলে দাম কম বেশী হলে সেটা সুদ নয়। তবে এক্ষেত্রে মানবিকতা হলো খুব বেশী লাভ না নেয়াম যৌক্তিক পর্যায়ে থাকা।