হারাম টাকা দিয়ে বিজনেস
কবিড পরে আমাদের ফ্যাক্টরি টা বন্ধ হয়ে গেছে অনেক চেষ্টা করে চালাইতে পারি নাই। ব্যাংকের লোন অন্যান্য সাপ্লাইয়ারদের লোন। এখন আমাদের নামে কেস হয়ে গেছে । আমাদের পরিচিত একটা লোক আমাদেরকে কিছু তার অবৈধ টাকা থেকে কিছু টাকা দিতে চাচ্ছে যেটা আমরা কিস্তি অনুযায়ী ফেরত দিতে হবে এবং এইটা দিয়ে ব্যবসা যদি শুরু করি তাহলে কি আমাদের ব্যবসা হালাল হবে ?এখন এটা দিয়ে উপার্জিত টাকা কি হালাল হবে ?আর এটা কি আমাদের নেওয়া উচিত হবে প্লিজ একটু জানাবেন।
জেনেশুনে অবৈধ টাকা নেওয়া উচিৎ হবে না। তবে এই টাকা নিয়ে ব্যবসা করে যদি পাওনাদারদের টাকা পরিষোধ করতে পারেন তাহলে মন্দের ভাল হিসেবে নিতে পারেন। যদি অন্য সম্পদ বিক্রি করে এই ঋন শোধ করতে পারেন তাহলে অবৈধ টাকা ধার নিয়ে নতুন করে ব্যবসা শুরুর কোন সুযোগ নেই। শরীয়াহ অনুযায়ী ব্যংক থেকে সুদ ভিত্তিক লোন নেয়া , সুদ পরিষোধ করা বা অন্য কারো থেকে সুদ ভিত্তির ঋন নেয়া সম্পূর্ণ হারাম। আপনারা তো চার দিকে দিয়ে হারামের ভিতর ডুবে গিয়েছেন। এখন অবৈধ টাকা ধার নিয়ে অন্যদের ঋন পরিষোধ কর দ্রুত ইসলাম নির্দেশিত পথে ফিরে আসার চেষ্টা করুন। তবে তার মান এটা নয় যে, জেনেশুনে অবৈধ টাকা ধার নেয়া জায়েজ।