QA As Sunnah Q&A

ভার্সিটিতে সালাম

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক → আদব আখলাক → ইতিহাস → নামায → ত্বহারাত পবিত্রতা → জানাযা-কবর যিয়ারত → ঈমান → রোজা → সফর → আকীকা → শিরক-বিদআত → ঈদ কুরবানী → হাদীস ও উসূলুল হাদীস → যিকির দুআ আমল → নফল সালাত → হালাল হারাম → লেনদেন → বিবাহ-তালাক → তাওহীদ → তারাবীহ → যাকাত → ফিতরা → ব্যক্তিগত ও পারিবারিক → জুমআ → সুন্নাত → দাওয়াত ও তাবলিগ → কুরআন → হাদীস → জাদু-টোনা → সিরাত সামায়েল → পোশাক পরিচ্ছেদ → ফারায়েজ → মানত → আখিরাত → জান্নাত-জাহান্নাম → তাফসীর → রিসালাত → হজ্জ → জিহাদ → বাতিল ফিরকা → বিতর → সাধারণ দান-সদকাহ → হালাল → বিচার আচার → সালাত → ব্যক্তিগত ও তাবলিগ → সদকাহ → কাফফরা → সুদ-ঘুষ → আকীদা → পবিত্রতা → গুনাহ → জায়েয → রমযান → ইতিকাফ → দান-সদকাহ → বিদআত → মুসাফির → মসজিদ → পোশাক-পর্দা → তায়াম্মুম → বিবিধ →
আদব আখলাক • প্রশ্ন #৭৫৭৮ • ভিউ: ৩৭ • ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভার্সিটিতে সালাম

প্রশ্নকারী: Ramisha
প্রশ্ন বিস্তারিত


আসসালামু আলাইকুম। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু কারণে জুনিয়রদের বয়কট করা হয়েছে। এ অবস্থায় আমার ব্যাচমেট কয়েকজন বলেছেন, কোনো জুনিয়র সালাম দিলে যেন আমরা সালামের জবাব না দিই। মনে মনে যেন সালাম এর উত্তর দেই।


আমার প্রশ্ন হলো—কাউকে বয়কট করার কারণে সে সালাম দিলে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখে সালামের জবাব না দেওয়া কি শরিয়তসম্মত? শুধু মনে মনে সালামের জবাব দিলে কি দায়িত্ব আদায় হবে? নাকি বয়কটের সিদ্ধান্ত থাকলেও সালামের জবাব মুখে দেওয়া ওয়াজিব?


এ বিষয়ে কুরআন-সুন্নাহর দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।

উত্তর
Published

ওয়া আলাইকুমুস সালাম। ঢালাও ভাবে এমন বয়কট করার শরয়ী কারণ থাকতে হবে। যদি তারা শরীয়াহ বহির্ভূত কাজ অহরহ করতে থাকতে থাকে, নিষেধ করলেও শুনছে না, তখন তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করতে পারেন, উত্তর মনে মনে দিতে পারেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন,  وَلاَ تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْـمِ وَالْـعُـدْوَانِ অর্থাৎ, পাপ ও সীমালংঘনের কাজে তোমরা একে অন্যের সাহায্য করো না। (সূরা মায়েদাহ ২)।


তবে এর বাইরে ব্যক্তিগত বা দলগত রেশারেশীর কারণে কারো সাথে কথা বলবেন না, সালামের উত্তর দিবেন না, এটা না জায়েজ। আপনাদের সম্ভবত এটাই হয়েছে। 

وَعَنْ أَبي أَيُّوبَ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ ﷺ قَالَ لَا يَـحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَّهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثِ لَيَالٍ: يَلْتَقِيَانِ فَيُعْرِضُ هَذَا وَيُعْرِضُ هَذَا وَخَيْرُهُمَا الَّذِي يَبْدَأُ بِالسَّلاَمِ

আবূ আইয়ূব (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলিমের জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে তার ভাইয়ের সাথে তিন দিনের বেশি কথাবার্তা বলা বন্ধ রাখে। যখন তারা পরস্পর সাক্ষাৎ করে, তখন এ এ দিকে মুখ ফিরায় এবং ও ওদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর তাদের দু’জনের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি সেই হবে, যে সাক্ষাৎকালে প্রথমে সালাম পেশ করবে। সহীহ  বুখারী, হাদীস নং  ৬০৭৭।

وَعَنْ أَبِـيْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ لاَ يَـحِلُّ لِمُسْلِمٍ أَنْ يَّهْجُرَ أَخَاهُ فَوْقَ ثَلاَثٍ فَمَنْ هَجَرَ فَوْقَ ثَلاَثٍ فَمَاتَ دَخَلَ النَّارَ رواه أَبُو داود بإسناد عَلَى شرط البخاري ومسلم وعن ابـي هريرة قال : قال رسول الله ﷺ لا يـحل لمسلم ان يهجر اخاه فوق ثلاث فمن هجر فوق ثلاث فمات دخل النار

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলিমের জন্য এ কাজ বৈধ নয় যে, তার কোন মুসলিম ভাইয়ের সাথে তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে। সুতরাং যে ব্যক্তি তিন দিনের ঊর্ধ্বে কথাবার্তা বন্ধ রাখবে এবং সেই অবস্থায় মারা যাবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। সুনানু আবূ দাঊদ, হাদীস নং  ৪৯১৬। হাদীসটি সহীহ। 


✅