QA As Sunnah Q&A

Assalamualaikum warahmatullah sir. আশা করি আল্লাহ সুবহানুতায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। স্যার একটা ছোট্ট প্রশ্ন ছিলো। যদি ফ্রি থাকেন, স্যার আজ এশার সলাত পড়ার সময় ইমাম সাহেব মাঝ বৈঠকে একটু সময়…

ক্যাটাগরি
অর্থনৈতিক আদব আখলাক ইতিহাস নামায ত্বহারাত পবিত্রতা জানাযা-কবর যিয়ারত ঈমান রোজা সফর আকীকা শিরক-বিদআত ঈদ কুরবানী হাদীস ও উসূলুল হাদীস যিকির দুআ আমল নফল সালাত হালাল হারাম লেনদেন বিবাহ-তালাক তাওহীদ তারাবীহ যাকাত ফিতরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জুমআ সুন্নাত দাওয়াত ও তাবলিগ কুরআন হাদীস জাদু-টোনা সিরাত সামায়েল পোশাক পরিচ্ছেদ ফারায়েজ মানত আখিরাত জান্নাত-জাহান্নাম তাফসীর রিসালাত হজ্জ জিহাদ বাতিল ফিরকা বিতর সাধারণ দান-সদকাহ হালাল বিচার আচার সালাত ব্যক্তিগত ও তাবলিগ সদকাহ কাফফরা সুদ-ঘুষ আকীদা পবিত্রতা গুনাহ জায়েয রমযান ইতিকাফ দান-সদকাহ বিদআত মুসাফির মসজিদ পোশাক-পর্দা তায়াম্মুম বিবিধ
নামায • প্রশ্ন #৮৯৭ • ভিউ: ১৮ • ১৩ জুলাই, ২০০৮

Assalamualaikum warahmatullah sir. আশা করি আল্লাহ সুবহানুতায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। স্যার একটা ছোট্ট প্রশ্ন ছিলো। যদি ফ্রি থাকেন, স্যার আজ এশার সলাত পড়ার সময় ইমাম সাহেব মাঝ বৈঠকে একটু সময়…

প্রশ্নকারী: Anonymous
প্রশ্ন বিস্তারিত
Assalamualaikum warahmatullah sir. আশা করি আল্লাহ সুবহানুতায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন। স্যার একটা ছোট্ট প্রশ্ন ছিলো। যদি ফ্রি থাকেন, স্যার আজ এশার সলাত পড়ার সময় ইমাম সাহেব মাঝ বৈঠকে একটু সময় নিয়েছিলো আর আমার মনে হয় উনি দুরুদে ইব্রাহিম ও দোয়ায়ে মাছুরাও পড়েছিলো যার কারনে উনি সহু সাজদা দেন। অবশ্য আমি ভেবেছিলাম উনি সহু সাজদা দিবেন না। তারপর শেষ বৈঠকে আমিও দুরুদে ইব্রাহিম পড়ার পর উনি এক সালাম দিয়ে দ্রুত আবার সাজদায় যান মানে সহু সাজদা দেন। তারপর আমি ও তার সাথে সাথে সাজদায় যাই। সমস্যা হলো আমি উনার সাথে এক সালাম না দিয়েই সহু সাজদা করি। এজন্য আমি ভাবছি যে ইমাম সাহেব এর সাথে এক সালাম না ফেরানোয় কি আমার নামাজের কোন ক্ষতি হলো কিনা। তাই আমি এশার ফরয সলাতের পর সুন্নত ও বেতের পড়িনি। এই বিষয়টা জেনে পড়ব ভাবছি। স্যার দয়া করে জানাবেন? জাযাকাল্লাহু খইর
উত্তর
Published
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আপনার সালাত হয়ে গেছে। ইমাম সাহেবের সাথে সালাম না ফিরিয়ে সাজদাতে যাওয়ায় আপনার সালাত নষ্ট হয়ে যায় নি। কারণ সালাম ফেরানো ওয়াজিব। ইমামের সাথে থাকা অবস্থায় কোন ওয়াজিব ছুটে গেলে নামায বাতিল হয় না।তবে কোন ফরজ ছুটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেটা আদায় করে নিবেন। যেমন, ইমাম সাহেবের সাথে যদি একটি সাজাদা ছুটে যায় তাহলে নিজে নিজে আদায় করে নেবেন। আর আপনার জন্য সুন্নত ও বিতর ছেড়ে দেয়া ঠিক হয় নি। আপনার সন্দেহের কারণে অন্তত নিজে নিজে আবার ফরজ সালাত আদায় করার পর সুন্নাত ও বিতর সালাত আদায় করা দরকার ছিল।